আমার ব্লগ তালিকা

শুক্রবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২১

সিরাজগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নাঈম হোসেন (২২) নামে এক কলেজ ছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে


 মোঃ রাশিদুল ইসলাম-

সিরাজগঞ্জে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নাঈম হোসেন (২২) নামে এক কলেজ ছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায়। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে ওই উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের রুদ্রপুর পশ্চিমপাড়া গ্রাম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নাঈম ওই গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে এবং লক্ষীকোলা সরকারি বেগম নুরুন্নাহার তর্কবাগিশ অনার্স কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আত্মহত্যার কিছুক্ষণ আগে তার মৃত্যুর জন্য প্রেমিকা ও প্রেমিকার মাকে দায়ী করে ফেসবুকে আমার মৃত্যুর জন্য অনন্যা দায়ী এমন শিরোনামে প্রেমিকার ছবিসহ পোস্ট শেয়ার করেন নাঈম। রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সমর চন্দ্র আচার্য্য জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান নাঈম। সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ব্যাপারে রায়গঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমল সিং জানান, একই গ্রামের অনন্যা নামে একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। চার মাস আগে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ভেঙে যায়। এ কারণেই সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে।

শনিবার, ৫ জুন, ২০২১

শ্রীরামপুরে জলাবদ্ধতা দূরীকরনের দাবীতে মানববন্ধন


 সকাল ৭ টায় রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ও সোনাখাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গোপীনাথপুর,  দাদপুর, কলিয়া, গোপালপুর, রাজাপুর, শ্রীরামপুর গ্রামের কয়েকশ কৃষক  শ্রীরামপুর ঈদগাহ মাঠে সমবেত হয়ে তাদের জমির ভাটিতে প্রভাবশালীগন  কর্তৃক  মালতিনগর - দাদপুর বিলে অবৈধভাবে পুকুর খনন পূর্বক জলাবদ্ধতা সৃষ্টির প্রতিবাদে  এবং প্রসাশনের নিকট  জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে এক প্রতিবাদ সভা ও  মানব বন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেয়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কর্মসুচীর আহবায়ক শ্রীরামপুরের সাইদ মাস্টার,  সোনাখাড়া ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বর তছির উদ্দীন, আলহাজ্ব আলী আশরাফ তালুকদার, আব্দুর রশীদ মাস্টার, মোশারফ হোসেন আকন্দ, কলিয়ার আলতাব হোসেন সরকার, আব্দুল মতিন মাস্টার, উত্তম কুমার মাহাতো, নরেশ চন্দ্র মাহাতো, গোপীনাথপুরের শাহালম, সোহেল, গোপালপুরের রফিকুল ইসলাম মাস্টার, আসান আলী, আলতাব হোসেন প্রমূখ। এতে বক্তাগন জানান, তাদের গ্রামসমুহের প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমিতে সামান্য বৃস্টি হলে জল জমে যায়। কারন, জমির ভাটির গ্রাম মালতিনগর ও দাদপুর বিলে অবৈধ পুকুর খনন করে প্রভাবশালীগন। এতে জল নিস্কাসনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বছরের ছয় মাস তাদের জমি ডুবে থাকে জলের নীচে। ফসল মার খাওয়ায় অনাহারে,  অর্ধাহারে দিন কাটে তাদের। ক্ষতিগ্রস্থরা আরো জানান, মৃত মোবারক আকন্দের পুত্র মালতিনগরের লাবু আকন্দ ইট ভাটা স্থাপন করেছে বিলের প্রবেশ  মুখে এবং ব্রীজের মুখও বন্ধ করে দিয়েছে, এতে পানি চলাচল একবারে বন্ধ। এছাড়া দাদপুরের কালু শেখের পুত্র তোজাম্মেল হক, আজু মুনসীর পুত্র আবু সাইদ, আকবর আলীর পুত্র আব্দুর রহিম, মালতিনগরের নজাব খাঁর পুত্র তোফাজ্জল হোসেন, মোবারক হোসেনের পুত্র হাবু আকন্দ, পিলু আকন্দ, দুহা আকন্দের পুত্র সোবাহান আকন্দ, ইদ্রীস ভুঁঞার পূত্র সালাম, আজগর ভুঞার পুত্র এজাহার, আব্দুল আকন্দের পুত্র আমিনুল ইসলাম হুদা সহ আরও অনেকে পুকুর খনন করে পুরা বিল দখল করেছে।