সকাল ৭ টায় রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ও সোনাখাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গোপীনাথপুর, দাদপুর, কলিয়া, গোপালপুর, রাজাপুর, শ্রীরামপুর গ্রামের কয়েকশ কৃষক শ্রীরামপুর ঈদগাহ মাঠে সমবেত হয়ে তাদের জমির ভাটিতে প্রভাবশালীগন কর্তৃক মালতিনগর - দাদপুর বিলে অবৈধভাবে পুকুর খনন পূর্বক জলাবদ্ধতা সৃষ্টির প্রতিবাদে এবং প্রসাশনের নিকট জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে এক প্রতিবাদ সভা ও মানব বন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেয়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কর্মসুচীর আহবায়ক শ্রীরামপুরের সাইদ মাস্টার, সোনাখাড়া ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বর তছির উদ্দীন, আলহাজ্ব আলী আশরাফ তালুকদার, আব্দুর রশীদ মাস্টার, মোশারফ হোসেন আকন্দ, কলিয়ার আলতাব হোসেন সরকার, আব্দুল মতিন মাস্টার, উত্তম কুমার মাহাতো, নরেশ চন্দ্র মাহাতো, গোপীনাথপুরের শাহালম, সোহেল, গোপালপুরের রফিকুল ইসলাম মাস্টার, আসান আলী, আলতাব হোসেন প্রমূখ। এতে বক্তাগন জানান, তাদের গ্রামসমুহের প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমিতে সামান্য বৃস্টি হলে জল জমে যায়। কারন, জমির ভাটির গ্রাম মালতিনগর ও দাদপুর বিলে অবৈধ পুকুর খনন করে প্রভাবশালীগন। এতে জল নিস্কাসনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বছরের ছয় মাস তাদের জমি ডুবে থাকে জলের নীচে। ফসল মার খাওয়ায় অনাহারে, অর্ধাহারে দিন কাটে তাদের। ক্ষতিগ্রস্থরা আরো জানান, মৃত মোবারক আকন্দের পুত্র মালতিনগরের লাবু আকন্দ ইট ভাটা স্থাপন করেছে বিলের প্রবেশ মুখে এবং ব্রীজের মুখও বন্ধ করে দিয়েছে, এতে পানি চলাচল একবারে বন্ধ। এছাড়া দাদপুরের কালু শেখের পুত্র তোজাম্মেল হক, আজু মুনসীর পুত্র আবু সাইদ, আকবর আলীর পুত্র আব্দুর রহিম, মালতিনগরের নজাব খাঁর পুত্র তোফাজ্জল হোসেন, মোবারক হোসেনের পুত্র হাবু আকন্দ, পিলু আকন্দ, দুহা আকন্দের পুত্র সোবাহান আকন্দ, ইদ্রীস ভুঁঞার পূত্র সালাম, আজগর ভুঞার পুত্র এজাহার, আব্দুল আকন্দের পুত্র আমিনুল ইসলাম হুদা সহ আরও অনেকে পুকুর খনন করে পুরা বিল দখল করেছে।
আমার ব্লগ তালিকা
শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
শ্রীরামপুরে জলাবদ্ধতা দূরীকরনের দাবীতে মানববন্ধন
সকাল ৭ টায় রায়গঞ্জ উপজেলার ধুবিল ও সোনাখাড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গোপীনাথপুর, দাদপুর, কলিয়া, গোপালপুর, রাজাপুর, শ্রীরামপুর গ্রামের কয়েকশ কৃষক শ্রীরামপুর ঈদগাহ মাঠে সমবেত হয়ে তাদের জমির ভাটিতে প্রভাবশালীগন কর্তৃক মালতিনগর - দাদপুর বিলে অবৈধভাবে পুকুর খনন পূর্বক জলাবদ্ধতা সৃষ্টির প্রতিবাদে এবং প্রসাশনের নিকট জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবীতে এক প্রতিবাদ সভা ও মানব বন্ধন কর্মসূচীতে অংশ নেয়। এতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন কর্মসুচীর আহবায়ক শ্রীরামপুরের সাইদ মাস্টার, সোনাখাড়া ইউপির ২ নং ওয়ার্ড মেম্বর তছির উদ্দীন, আলহাজ্ব আলী আশরাফ তালুকদার, আব্দুর রশীদ মাস্টার, মোশারফ হোসেন আকন্দ, কলিয়ার আলতাব হোসেন সরকার, আব্দুল মতিন মাস্টার, উত্তম কুমার মাহাতো, নরেশ চন্দ্র মাহাতো, গোপীনাথপুরের শাহালম, সোহেল, গোপালপুরের রফিকুল ইসলাম মাস্টার, আসান আলী, আলতাব হোসেন প্রমূখ। এতে বক্তাগন জানান, তাদের গ্রামসমুহের প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমিতে সামান্য বৃস্টি হলে জল জমে যায়। কারন, জমির ভাটির গ্রাম মালতিনগর ও দাদপুর বিলে অবৈধ পুকুর খনন করে প্রভাবশালীগন। এতে জল নিস্কাসনের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বছরের ছয় মাস তাদের জমি ডুবে থাকে জলের নীচে। ফসল মার খাওয়ায় অনাহারে, অর্ধাহারে দিন কাটে তাদের। ক্ষতিগ্রস্থরা আরো জানান, মৃত মোবারক আকন্দের পুত্র মালতিনগরের লাবু আকন্দ ইট ভাটা স্থাপন করেছে বিলের প্রবেশ মুখে এবং ব্রীজের মুখও বন্ধ করে দিয়েছে, এতে পানি চলাচল একবারে বন্ধ। এছাড়া দাদপুরের কালু শেখের পুত্র তোজাম্মেল হক, আজু মুনসীর পুত্র আবু সাইদ, আকবর আলীর পুত্র আব্দুর রহিম, মালতিনগরের নজাব খাঁর পুত্র তোফাজ্জল হোসেন, মোবারক হোসেনের পুত্র হাবু আকন্দ, পিলু আকন্দ, দুহা আকন্দের পুত্র সোবাহান আকন্দ, ইদ্রীস ভুঁঞার পূত্র সালাম, আজগর ভুঞার পুত্র এজাহার, আব্দুল আকন্দের পুত্র আমিনুল ইসলাম হুদা সহ আরও অনেকে পুকুর খনন করে পুরা বিল দখল করেছে।
শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০
সিরাজগঞ্জ বাসীকে জানাই ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।।
করোনা ভাইরাস মহামারী পরিস্থিতিতে আমাদের পাল্টে যাওয়া জীবনযাত্রায় এলো আরেকটি ঈদ। আমরা সবাই যেনো নতুন স্বাভাবিকতার মাঝে সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকি। মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই প্রার্থনা জানাই। ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে আমাদের অনাগত দিনগুলো সুখ ও ভালবাসাময় হোক এটাই কামনা করি।
আঁধার কেটে আসুক আলো সবাই হোক ভালোর ভালো। সিরাজগঞ্জ জেলা বাসীকে জানাই ঈদুল আযহা আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক। বাংলাদেশটা সবার জন্য ভালবাসাময় হোক।
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০
সিরাজগঞ্জের, রায়গঞ্জে হাঁস খামারীদের করুন দশা।
সোনাখাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল কাদের সে একজন হাঁস খামারি।
করা #সুদের উপর টাকা এনে তার এই হাঁস খামারির ব্যবসা। সারা বাংলাদেশের মতো রায়গঞ্জ, সোনাখাড়ায় লকডাউন থাকার কারনে সে হাঁস গুলোকে ঠিকমতো খাদ্য দিতে পারছে না। তার আয় না থাকায় একদম বাড়িতে বসে, যদি এরকম চলতে থাকে তাহলে কপালে হাত দেওয়া ছাড়া আর কিছুর উপায় নাই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অথবা এমপি মহাদয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ যদি তাকে দিয়ে সাহায্যে করা যেতো, তাতে সে অনেক টা উপকৃত হতো।
করা #সুদের উপর টাকা এনে তার এই হাঁস খামারির ব্যবসা। সারা বাংলাদেশের মতো রায়গঞ্জ, সোনাখাড়ায় লকডাউন থাকার কারনে সে হাঁস গুলোকে ঠিকমতো খাদ্য দিতে পারছে না। তার আয় না থাকায় একদম বাড়িতে বসে, যদি এরকম চলতে থাকে তাহলে কপালে হাত দেওয়া ছাড়া আর কিছুর উপায় নাই। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অথবা এমপি মহাদয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ যদি তাকে দিয়ে সাহায্যে করা যেতো, তাতে সে অনেক টা উপকৃত হতো।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)


